ম্যাচের সময়কাল
T20 মাত্র তিন ঘণ্টার, টেস্ট পাঁচ দিন। তাই টেস্টে সেশন-ভিত্তিক বাজার পাওয়া যায় যা T20-তে সম্ভব নয়। দীর্ঘ ম্যাচে কৌশলগত বাজির সুযোগ বেশি।
টেস্ট ক্রিকেটের পাঁচ দিনের লড়াইয়ে প্রতিটি সেশন, প্রতিটি উইকেট — সবকিছুতে বাজি ধরার সুযোগ এখানে আছে। bKash বা Nagad দিয়ে জমা দিন, আর সরাসরি টেস্ট বাজারে ঢুকে পড়ুন — আপনার অঞ্চলের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করুন।
টেস্ট ম্যাচ পাঁচ দিন চলে — আপনি সারাক্ষণ কম্পিউটারে থাকতে পারবেন না। ckck999-এর মোবাইল লবি এমনভাবে সাজানো যে স্কোর, অডস আর বাজি একই স্ক্রিনে দেখা যায়। Android ব্রাউজারে সরাসরি ঢুকুন, আলাদা কিছু নামানোর দরকার নেই। ঢাকায় যারা অফিস থেকে বিরতিতে স্কোর চেক করেন, তাদের জন্য পোর্ট্রেট মোডে পুরো বাজার তালিকা দেখা যায়। bKash দিয়ে দ্রুত জমা দিয়ে সেশন শুরুর আগেই বাজি রাখুন — পুরো প্রক্রিয়াটা মোবাইলেই শেষ হয়।
T20 বা ODI-র সাথে টেস্ট বেটিংয়ের পার্থক্য বোঝা জরুরি। এখানে সাতটি দিক তুলনা করা হলো যা সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
T20 মাত্র তিন ঘণ্টার, টেস্ট পাঁচ দিন। তাই টেস্টে সেশন-ভিত্তিক বাজার পাওয়া যায় যা T20-তে সম্ভব নয়। দীর্ঘ ম্যাচে কৌশলগত বাজির সুযোগ বেশি।
টেস্টে প্রতি ম্যাচে বেশি বাজার থাকে — প্রতিটি ইনিংস, প্রতিটি সেশন এবং প্রতিদিনের ক্লোজিং স্কোর নিয়ে আলাদা বাজার বসে। ODI-তে এত ভাগ নেই।
T20 বা ODI-তে ড্র বিরল, টেস্টে স্বাভাবিক। এই তৃতীয় ফলাফল বাজারে অডসের হিসাব বদলে দেয় এবং অভিজ্ঞ বেটারদের জন্য আলাদা কৌশল তৈরির সুযোগ দেয়।
টেস্টে পিচ পাঁচ দিন ধরে পরিবর্তিত হয় এবং আবহাওয়া সরাসরি ফলাফল বদলাতে পারে। এই দুটি বিষয় বিশ্লেষণ করলে সেশন বাজারে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
লাইভ টেস্ট বেটিংয়ে প্রতিটি ওভারের পর অডস নতুন হয়। একটি উইকেট পড়লে বা পার্টনারশিপ জমলে তাৎক্ষণিক বাজারের সুযোগ আসে যা অন্য ফরম্যাটে এত বিস্তারিত নয়।
একটি টেস্ট সিরিজ দুই থেকে পাঁচটি ম্যাচ পর্যন্ত হতে পারে। সিরিজ-উইনার বাজার আগে থেকেই পাওয়া যায় এবং প্রতিটি ম্যাচের পর অডস পরিবর্তিত হয়।
ckck999-এ টেস্ট বেটিং শুরু করতে Nagad বা Rocket দিয়ে জমা দিন, সরাসরি স্পোর্টস বিভাগে ঢুকুন এবং ক্রিকেট টেস্ট ফিল্টার করুন। অন্য যেকোনো বেটিং অভিজ্ঞতার মতোই সহজ।
টেস্ট লবির ভেতরে এই তিনটি বাজার সবচেয়ে বেশি খোলা হয়। প্রতিটির নিজস্ব কৌশল আছে।
টেস্ট ক্রিকেট মানে শুধু জয়-পরাজয় নয় — এখানে ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি, দলের প্রথম ইনিংস স্কোর, নির্দিষ্ট সেশনে রানের সংখ্যা — প্রতিটি মুহূর্তে আলাদা আলাদা বাজার তৈরি হয়। ckck999-এর টেস্ট বিভাগে ম্যাচ-উইনার, সিরিজ ফলাফল, শীর্ষ রান-সংগ্রাহক এবং শীর্ষ উইকেটশিকারির মতো বাজার পাওয়া যায়। বাংলাদেশ বনাম বিদেশি দলের টেস্ট ম্যাচ থেকে শুরু করে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ সিরিজ পর্যন্ত মার্কেট লাইভ থাকে। প্রতিটি বাজারের অডস রিয়েল-টাইমে আপডেট
হয়, তাই টস থেকে শেষ বলের আগ পর্যন্ত বাজি ধরার সুযোগ থাকে। Nagad বা Rocket দিয়ে জমা দেওয়ার পর সরাসরি টেস্ট লবিতে ঢুকুন এবং যেকোনো চলমান ম্যাচের বাজার বেছে নিন।
টেস্ট বেটিংয়ে নতুন হলে এই শব্দগুলো জানা দরকার। প্রতিটি শব্দের সহজ ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
দুই দলের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কমাতে দুর্বল দলকে কাল্পনিক সুবিধা দেওয়া হয়। যেমন বাংলাদেশকে +১.৫ উইকেট দিলে তারা সেই সুবিধাসহ হিসাব হয়। হ্যান্ডিক্যাপ বাজারে অডস সাধারণত সমান থাকে।
ম্যাচ শুরু হওয়ার পরেও যে বাজার চলতে থাকে তাকে ইন-প্লে বা লাইভ বেটিং বলে। প্রতিটি ওভার ও উইকেটের পর অডস পরিবর্তিত হয়। টেস্টে লাইভ বেটিং পাঁচ দিন ধরে সক্রিয় থাকতে পারে।
টেস্টের একটি দিন তিনটি সেশনে বিভক্ত — সকাল, দুপুর, বিকেল। প্রতিটি সেশনে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি বা কম রান হবে কিনা তার উপর বাজি ধরাকে সেশন বেটিং বলে।
টেস্টে কোনো দল না জিতলে ড্র হয়। ড্র বেটে আপনি ম্যাচটি অমীমাংসিত শেষ হবে এই ফলাফলের উপর বাজি ধরেন। দীর্ঘ টেস্টে ড্রর সম্ভাবনা বেশি থাকলে এই বাজারের অডস কম থাকে।
কোনো ইনিংসে বা পুরো ম্যাচে একটি নির্দিষ্ট দলের সর্বোচ্চ রান যে ব্যাটার করবেন তার উপর বাজি ধরা হয়। দলের লাইনআপ ও পিচের অবস্থা বিশ্লেষণ করে এই বাজারে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
টেস্টে প্রথম ইনিংসে কোন দল বেশি রান করবে তার উপর বাজার বসে। এই বাজার ম্যাচের শেষ ফলাফলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় — শুধু প্রথম ইনিংসের রানের তুলনা করা হয়।
ম্যাচ বৃষ্টি বা অন্য কারণে পরিত্যক্ত হলে অনেক বাজার 'ভয়েড' বা বাতিল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে বাজির টাকা অ্যাকাউন্টে ফেরত আসে। বাজি রাখার আগে নো-রেজাল্ট শর্ত পড়ে নেওয়া ভালো।
দশমিক অডস যেমন ২.৫০ মানে প্রতি একক বাজিতে ২.৫০ ফেরত পাবেন (লাভ ১.৫০)। ভগ্নাংশ অডস যেমন ৩/২ একই অর্থ বহন করে। ckck999-এ সাধারণত দশমিক ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়।
KYC মানে Know Your ব্যবহারকারী — পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। উত্তোলনের আগে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। এই ধাপ সম্পন্ন না থাকলে বড় পরিমাণ উত্তোলনে বিলম্ব হতে পারে।
টেস্ট বেটিং শুরু করার আগে এই প্রশ্নগুলো অনেকের মনে আসে। সরাসরি উত্তর দেওয়া হলো।